সিলেটের রোমাঞ্চকর জয়ে রঙ ফিরেছে বিপিএলে!

ম্যাচের শুরুতে সিলেটের টপ অর্ডার যে ইঙ্গিত দিয়েছিল তাতে হতাশ হবারই উপক্রম। দলীয় ৬ রানে নেই ৩ উইকেট। ওপেনার লিটন দাস শূন্য, নাসির হোসেনের ৩ আর সাব্বির রহমানের শূন্য। টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে এমনই শুরু সিলেট সিক্সার্সের! এখান থেকে দলের হাল ধরেন আফিফ হাসান আর অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার। দুইজনে মিলে করেন ৭১ রানের জুটি।

২৮ বলে ৪৫ রান করে আফিফের প্রস্থান হলেও উইকেটে থিতু হয়ে গেছেন ওয়ার্নার। এরপর নিকোলাস পুরানের সঙ্গে করেন ৭০ রানের জুটি।

ওয়ার্নার তুলে নেন বিপিএলে নিজের প্রথম অর্ধশতক। সাঝঘরে ফেরার সময় তার নামের পাশে ৪৭ বলে ৫৯ রানের ইনিংস।

নিকোলাস পুরানও রান তোলেন দ্রুত। ৩২ বলে খেলেন ৫২ রানের ইনিংস। সবমিলে সুরমা পাড়ের দলটি ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৬৮ রান।
চিটাগং ভাইকিংসের হয়ে ৩ উইকেট নেন ফ্রাইলিংক, ১ উইকেট করে নেন নাঈম হাসান আর খালেদ আহমেদ।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ব্যক্তিগত ৬ রানের মাথায় তাসকিন আহমেদের বলে বিদায় নেন ভাইকিংস ওপেনার মোহাম্মদ শেহজাদ।

এরপর ক্যামেরন দেলপোর্ট আর মোহাম্মদ আশরাফুলের জুটি থেকে আসে ৫৭ রান। দেলপোর্ট করেন ৩৮ আর আশরাফুল ইনিংস লম্বা করার ইঙ্গিত দিয়েও ফেরেন ২২ রান করে। মুশফিক উইকেটে এলেন আর বিদায় নেন ৫ রান করে।

এরপর সিকান্দার রাজা খেলেন ৩৭ রানের ইনিংস। শেষদিকে রবি ফ্রাইলিংক হারিয়েই দিচ্ছিলেন সিলেটকে। শেষ ওভারে যখন ২৪ রান দরকার ভাইকিংসদের ফ্রাইলিঙ্ক তখন ম্যাচ জমিয়ে তুলেছিলেন দুই ওভার বাউন্ডারি হাঁকিয়ে। শেষ বলে লাগে ৭ রান। আল আমিন দেন ১ রান। তাতে ৫ রানে আসরের প্রথম জয় পায় সিলেট সিক্সার্স। রবি ফ্রাইলিঙ্ক করেন ২৪ বলে ৪৪ রান।

সিলেটের হয়ে তাসকিন নেন ৪টি উইকেট। এছাড়া ২টি উইকেট নেন অলোক কাপালি।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *